বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৯

মঙ্গলকোটের পালিশগ্রাম উচ্চবিদ্যালয়ে ঘর নির্মাণে দুর্নীতি, ঘটনাস্থলে এসডিও


 মোল্লা জসিমউদ্দিন ,

'কাটমানি' এবং 'দিদি কে বলো' কর্মসূচিতে যখন সারা রাজ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে। ঠিক সেইরকম পরিস্থিতিতে মঙ্গলকোটেও পর্দাফাঁস হল আরেক দুর্নীতির। দু - এক লাখের দুর্নীতি নয় আবার, বাইশ লাখ অনুদানে বিদ্যালয়ের ঘর নির্মাণ প্রকল্পে বিস্তর প্রশ্নচিহ্ন দেখা গেছে। চলতি সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে চলে আসেন কাটোয়া মহকুমাশাসক সৌমেন পাল। সাথে ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। যখন সরজমিন তদন্ত করছেন স্বয়ং মহকুমাশাসক, তখন চরম অস্বস্তিতে দেখা যায় পঞ্চায়েত সমিতির পদাধিকারীদের। 'কেন মহকুমাশাসক কে ফোন করা হল'?  সেই প্রশ্নও করতে দেখা যায় সমিতির পদাধিকারীদের। কাটোয়া মহকুমাশাসক অবশ্য, এই প্রকল্পের ওয়ার্ক অর্ডার যথাযথ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সাথে ইঞ্জিনিয়ারদের ওই ইমারতিদ্রবের গুনগত মান পরীক্ষার নির্দেশ দেন। যা নিয়ে সরগরম মঙ্গলকোট। অভিযোগ উঠছে, অভিযোগকারী প্রধানশিক্ষক কে বিভিন্নভাবে শাসানো হচ্ছে। যদিও রাজ্যসরকারের 'শিক্ষকরত্ন' প্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক  প্রশান্ত পাল প্রকাশ্যে কিছুই বলতে চাননি। এলাকা সুত্রে প্রকাশ, মঙ্গলকোটের পালিশগ্রাম উচ্চবিদ্যালয়ে সম্প্রতি বাইশ লাখ অনুদানে  বেশকিছু অতিরিক্ত ঘর নির্মাণের বরাত পেয়েছেন এক ঠিকেদার। অভিভাবকদের বড় অংশের দাবি, ইমারতি দ্রব গুলি অত্যন্ত নিম্নমানের। ইট থেকে সিমেন্ট। বালি থেকে পাথর - রড।সবকিছুর গুনগত মান খুবই খারাপ। তার উপর বিল্ডিংয়ের ভিত গড়তে যে পিলার গুলি করা হয়েছে। সেখানে রড খুব কম দেওয়া হয়েছে। মাঝখানে আবার গোটা ইট ভরা হয়েছে। সেইসাথে পিলারের রিং বাঁধা হয়নি। মাটির নিচে পিলারের জন্য গর্তও সেভাবে গড়া হয়নি। এইরূপ বিভিন্ন অভিযোগ পড়ুয়াদের অবিভাবকরা প্রধান শিক্ষক কে জানিয়েছিলেন। সেইমত প্রধানশিক্ষক প্রশান্ত পাল বিষয়টি কাটোয়া মহকুমাশাসক সৌমেন পালের দৃষ্টিআকর্ষণ করান।বিষয়টি জানার সাথেসাথেই বিডিও - ইঞ্জিনিয়ার - পঞ্চায়েত সমিতির পদাধিকারীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে হানা দেন মহকুমাশাসক। সবকিছু দেখে ইঞ্জিনিয়ার কে টেন্ডারের শর্ত গুলির সাথে ইমারতি দ্রবের আনুপাতিক হিসাব এবং গুনগত মান পরীক্ষার নির্দেশ দেন। মহকুমাশাসক জানান - "কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে, রিপোর্ট দিতে বলেছি ব্লক প্রশাসন কে "।  শুধু মঙ্গলকোটের পালিশগ্রাম উচ্চবিদ্যালয়ে অতিরিক্ত ঘর নির্মাণে দুর্নীতি নয়, বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ সাধারণ বিষয় মঙ্গলকোটের কাজে। মঙ্গলকোট ব্লক অফিসে নথিভুক্ত এক ঠিকেদার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে জানান -" আমাদের কে প্রকল্পের আর্থিক অনুদানের দশ থেকে পনেরো শতাংকস অর্থ  দিতে হয়। তবেই কাজের বরাত মিলে। যতই সরকারি প্রকল্পে   ই-টেন্টার বলা হোক না কেন, শাসকদলের নেতাদের সাথে কথা বলে কাজের 'রেট' আগাম জানিয়ে দিতে হয় "।                                                                                                                                                      

দিদি কে বলো কর্মসূচি তে অভিযোগ জানালে বিপদ বাড়বে, জানে মঙ্গলকোট

মোল্লা জসিমউদ্দিন (টিপু)

মঙ্গলকোটে পঞ্চায়েত সমিতির পদাধিকারীদের আর্থিক উথান দেখলে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে উঠবে আপনার? গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান উপপ্রধানদের তো অলৌকিক আর্থিক উথান আছেই । দল করার আগে যার তিন বিঘে জমি ছিলনা, সে এখন ত্রিশ বিঘে জমির মালিক। মাটির বাড়ীর জায়গায় ঝকঝকে মার্বেল পাথরের দোতলা বাড়ি।তাও নিজের এবং ভাইয়ের। কৃষির সরকারি ক্ষতিপূরণের অনুদান সিংহভাগ লুট চলে । গ্রাম প্রধানের ভাগচাষী শংসাপত্রে চলে এই লুটতরাজ। এরা আবার এসি অফিসে ঘরের ভেতর ঘরে থাকেন । সেখানে আবার ঘটে অনেককিছু…. এই বিধ নানান অভিযোগ এলাকাবাসীদের মধ্যে। আত্মীয়পরিজনদের নামে আবাস যোজনার ঘর লুট থেকে দুতলা তিনতলা ঘরমালিকদের নামে আবাস যোজনার ঘর বরাদ্দ। একই পদে ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক কে নিয়ে কত উন্নয়ন! যদিও অভিযুক্ত পক্ষ তাদের পক্ষে উঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে ।

'দিদি কে বলো ' কর্মসূচি নিয়েও বিস্তর প্রশ্নচিহ্ন মঙ্গলকোটে। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বর্ধমান শহরে সদ্য প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁরই সহকর্মী মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর এলাকায় উন্নয়নে প্রশাসনিক অসহযোগিতার বার্তা শুনেও চুপচাপ। সেখানে একজন সাধারণ ব্যক্তি মঙ্গলকোটে অভিযোগ তুললে কোন প্রতিকার পাবেন কিভাবে ? উল্টে বিপদ বাড়তে পারে। যারা দিদি কে বলো তে ফোন করে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাদের মোবাইল নাম্বারের লিস্ট ধরে ধরে সেই এলাকার নেতারা উপদ্রব শুরু করে দিয়েছেন। দুর্গাপুর এলাকায় মারও খেয়েছে কেউ কেউ । মঙ্গলকোটে ভয়ে কেউ অভিযোগ জানাতে সাহস পাইনা। চাণক পালিগ্রাম অঞ্চলে অভিযোগ জানাতে গিয়ে শাসকদলের মুখে ঢাকা সশস্ত্র দুস্কৃতিদের তান্ডবলীলায় এবং ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে দিন কে দিন গ্রামছাড়া বাড়ছে।

ক্রমশ.....

বুধবার, সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১৯

জাগুয়ার মামলায় ধৃতের জেল হেফাজতের নির্দেশ ব্যাংকশাল আদালতের

মোল্লা জসিমউদ্দিন,      

বহু চর্চিত মহানগরের নির্মম সড়ক দুর্ঘটনা হিসাবে ইতিমধ্যেই শেক্সপিয়ার সরণির জাগুয়ার কান্ডে কুখ্যাতি মিলেছে। মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতার ব্যাংকশাল আদালতে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে পেশ করা হয় জাগুয়ার মামলায় অভিযুক্ত রাগীব পারভেজ কে ।পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিচারক ধৃতের ৯ সেপ্টেম্বর অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই মামলায় ইতিপূর্বে ব্যাংকশাল আদালতের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম পর্যায়ে ধৃত আরসালান পারভেজ এবং মহম্মদ হামজা কে শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। পাঁচ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে, পাসপোর্ট জমা রাখার পাশাপাশি তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের কাছে সাপ্তাহিক হাজিরার শর্তগুলি রয়েছে আদেশনামায় । পরে পুলিশি তদন্তে প্রকাশ হয় জাগুয়ার গাড়ীর 'আসল' চালক আরসালান পারভেজ নয় রাগীব পারভেজ। গ্রেপ্তারের পর রাগীব পারভেজের ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক।প্রথম পর্যায়ে বিখ্যাত রেস্তোরাঁ আরসালান গ্রুপের মালিকের ছেলে আরসালান পারভেজ এবং মালিকের শালা মহম্মদ হামজা কে শেক্সপিয়ার সরণির পুলিশ গ্রেপ্তার করে থাকে। দুই সপ্তাহ পূর্বে কলকাতার শেক্সপিয়ার সরণি এলাকায় গভীর রাতে ফুটপাতে হাঁটতে থাকা দুই বাংলাদেশী কে পিষে দেয় আরসালান গ্রুপের রেস্তোরাঁ মালিক এর ছেলে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল আরসালান পারভেজ একাই মদ্যপ অবস্থায় এই নারকীয় সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটিয়েছে। তবে ধৃত আরসালান পারভেজের কোন আঘাত বিশেষত মুখমন্ডলে না থাকায় পুলিশের খটকা লাগে। এই মামলার তদন্তকারীরা ফরেন্সিক তদন্ত, মোবাইল ফোন ডিটেল পরীক্ষা করে জানতে পারেন গাড়িটির আসল চালক ছিল ধৃতের দাদা রাগীব পারভেজ। এই তথ্য উঠে আসতেই মহম্মদ হামজা তার অভিযুক্ত ভাগ্নে  কে দুবাই পাঠিয়ে দেয় । অভিযুক্ত কে মদতদানের জন্য পুলিশ মহম্মদ হামজাকেও ধরে। এরপরে কলকাতার বেনিয়াপুকুরে এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাগীব পারভেজ কে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। তারপর ব্যাংকশাল আদালতে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এর এজলাসে তিনজন কে পেশ করা হলে, বিচারক আরসালান পারভেজ এবং মহম্মদ হামজা কে শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করেন এবং মূল অভিযুক্ত রাগীব পারভেজ কে ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন । পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার পুনরায় পেশ করা হয় রাগীব পারভেজ কে। বিচারক আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ ঘাতক গাড়ির ফরেন্সিক রিপোর্ট, দুবাইয়ের মেডিকেল রিপোর্ট সহ বেনিয়াপুকুর নার্সিংহোমের রিপোর্ট,বিভিন্ন সড়কমোড়ের সিসিটিভির ফুটেজ এমনকি ধৃতের বাড়ির সামনে সেদিনকার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে বলে প্রকাশ।                                                                                                           

রবিবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৯

ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট সভাগৃহের ১২৯ তম বার্ষিকী

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

কলকাতার কলেজ স্ট্রিট পাড়ায় বিপ্লবী ঋষি অরবিন্দের বাড়ীর পাশে ঐতিহ্যশালী ' কলকাতা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট এর ১২৯ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন হয়। গত শনিবার এবং রবিবার টানা দুদিন ধরে একগুচ্ছ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে। এই উদযাপন কমিটির যুগ্ম উপসচিব অভিতাভ দাস ও শুভাশিস মুখোপাধ্যায় রয়েছেন। বিভাগীয় সচিব হিসাবে আছেন 'রবীন্দ্র ভারতী সোসাইটি' এর সাধারণ সম্পাদক সির্দ্ধাথ মুখোপাধ্যায়। গত শনিবার বিকেলে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই বর্ষপূর্তি সভার সূচনা হয়। কলকাতা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট এর সভাপতি পদে আসীন রয়েছেন বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য।এই বর্ষপূর্তি উদযাপনের সূচনা করেন বিচারপতি সৌমিত্র পাল। প্রধান অতিথি ছিলেন বিচারপতি অসীম কুমার রায়। উপস্থিত  ছিলেন  এই ইউনিভার্সিটি  ইনস্টিটিউট  এর  একদা  ডেপুটি  সেক্রেটারি  তথা  রাজ্যের  খাদ্যমন্ত্রী  জ্যোতিপ্রিয়  মল্লিক । তিনি ইউনিভার্সিটি  ইনস্টিটিউট  এর  সাথে  যুক্ত  নানান  ঘটনা  তুলে  ধরেন। সেইসাথে রাজ্যের  তরফে  সবরকম  সহযোগিতা  করার  আশ্বাস  দেন। ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ তথা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট এর সচিব ডক্টর মমতাজ সংঘমিত্রা।  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে। বাঁশি পরিবেশনায়  শ্রীময়ী মুখোপাধ্যায় দর্শককূলের মন জয় করে নেন। গান পরিবেশন করেন পৌষালি বন্দ্যোপাধ্যায়, সুরজিত ও বন্ধুরা। শনিবার সন্ধেবেলার এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হওয়ার পর রবিবার সন্ধে ৬ টায় আবৃত্তি পাঠ করেন রবীন মজুমদার এবং মনীষা ভট্টাচার্য।শংকর ভট্টাচার্যের নির্দেশনায় ' হরিবংশ'  নামে নাটক পরিবেশন হয়। এই নাটকে আহবায়ক হিসাবে আছেন সঞ্জয় চ্যার্টাজী।  আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে শারদোৎসবের আগমনী নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে বলে জানান আয়োজকদের পক্ষে সির্দ্ধাথ মুখোপাধ্যায়।                                                                 

শুক্রবার, আগস্ট ৩০, ২০১৯

বিধান শিশু উদ্যানে মহাসমারোহে পালিত হল কানাদাদুর জন্মদিন


মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

        

গত বুধবার বিকেলে কলকাতার হাডকো মোড় সংলগ্ন বিধান শিশু উদ্যানে মহাসমারোহে পালিত হল সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেতা ও সমাজসেবী অতুল্য ঘোষের ১১৬ তম জন্মবার্ষিকী। সেইসাথে মেধা অন্বেষা ২০১৯ এর সফল ৪০৬ জন ছাত্রছাত্রীদের( ক্লাস ফোর থেকে ক্লাস টেন)  বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।৯৮ জন পড়ুয়াদের বৃত্তি,  ২৮ জন ভাষাভিক্তিক বিভাগে পুরস্কৃত করা হয়। এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পান্ডে, বিধান শিশু উদ্যানের সম্পাদক  গৌতম তালুকদার, সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটির সহ উপাচার্য অশোক ঠাকুর, বর্ষীয়ান সাংবাদিক অশোক বসু, সাহিত্যিক একরাম আলী প্রমুখ। উল্লেখ্য, পরাধীন ভারতে অতুল্য ঘোষ একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। পরে জাতীয় কংগ্রেসে সর্বভারতীয় কোষাধ্যক্ষ পদে আসীন থাকা ছাড়াও পশ্চিমবাংলার দলীয় পর্যবেক্ষক হিসাবে কাজ করে গেছেন। বাংলার জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর  বিধানচন্দ্র রায়ের দক্ষিণহস্ত হিসাবে পরিচিত ছিলেন। রাজনীতির বাইরে সমাজসেবা বিশেষত অসুস্থ শিশুদের মানসিক বিকাশে তাঁর ভূমিকা খুবই গুরত্বপূর্ণ। ছবি আঁকা, যোগব্যায়াম, সাঁতার কাটা প্রভৃতি বিষয়ে শিশুদের শারীরিক ও মানসিকভাবে বিকাশ ঘটাতে যা করে গেছেন। তা আজও তার সেইসব নিদর্শন মেলে বিধান শিশু উদ্যানের বিভিন্ন কর্মকান্ডে  । মেধা অন্বেষা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষায় পড়ুয়াদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস এক অনন্য দিক হিসাবে বিবেচিত হয়। "বিধান শিশু উদ্যানের মাধ্যমে তাঁর কর্মধারা আজও প্রবাহিত" বলে জানান  বিধান শিশু উদ্যানের সম্পাদক  গৌতম তালুকদার। উল্লেখ্য, অতুল্য ঘোষ কচিকাঁচাদের কাছে কানাদাদু হিসাবে পরিচিত ছিলেন।   
                                                                                       

রবিবার, আগস্ট ২৫, ২০১৯

দুই বাংলা কে সম্মান জানালো জিরো পয়েন্ট পত্রিকার নজরুল উৎসব

সেখ সামসুদ্দিনঃ জিরো পয়েন্ট নজরুল উৎসব ২০১৯  উদযাপিত হয় মেমারি ১ বিডিও অডিটোরিয়াম হলে। এখানে নজরুল ইসলামের ও জিরো পয়েন্টের প্রয়াত সম্পাদক সেখ আনসার আলির ছবিতে মাল্যদান করেন নজরুল ইসলামের ভাইপো কাজী রেজাউল করিম। এদিন নজরুল অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ প্রদান করা হয় বাংলাদেশ ঢাকার নজরুল গবেষক ও বাংলা একাডেমির উপপরিচালক ডঃ তপন কুমার বাগচী পশ্চিম বর্ধমানের চুরুলিয়ার কবির ভ্রাতুষ্পৌত্রী সোনালী কাজীকে। জিরো পয়েন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রাপকরা হলেন হুগলীর সিঙ্গুরের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিক্ষক ও জনকল্লোল পত্রিকার সম্পাদক দিলীপ সাঁতরা, বিশিষ্ট সাহিত্যিক, চিকিৎসক ও সমাজসেবী ডাঃ অভয় সামন্ত, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও নাট্যকার অমিয় মুখোপাধ্যায়, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী বৈদ্যনাথ রায়, রাণীগঞ্জের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সমালোচক, বাচিকশিল্পী অমিতাভ দত্ত, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী মনোময় ঘোষ, বোলপুরের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষক গোলাম মর্তুজা, মেমারির স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা টিম আঁচল এবং আনসার অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সংগঠক ও ম্যাসেঞ্জার পত্রিকার পত্রিকার সম্পাদক বৈদ্যনাথ কোঙার। এছাড়াও জিরো পয়েন্ট শিক্ষা বৃত্তি দেওয়া হয় রসুলপুরের কনিকা মুদি ও বড়শুলের অরিন্দম মান্ডিকে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিডিও বিপুল কুমার মন্ডল, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বসন্ত রুইদাস, সহ সভাপতি সেখ মোয়াজ্জেম, সদস্য মধুসূদন ভট্টাচার্য, বিজ্ঞানী মনোময় ঘোষ, পুর কাউন্সিলার বিদ্যুৎ দে, কাজী রেজাউল করিম, সোনালী কাজী, আন্জু মানোয়ারা আনসারী, প্রমুখ। প্রয়াত আনসার আলীর স্ত্রী আজ জিরো পয়েন্টের দায়িত্বভার তুলে দেন একমাত্র পুত্র আনোয়ার আলী আনসারীর হাতে। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন শিক্ষক কমলেশ মন্ডল, পুত্রবধূ ব্রততী আলী ঘোষ ও সন্দীপ রায়।

ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচের মিডিয়া নিয়ে কলকাতা প্রেসক্লাবে সেমিনার


মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

শনিবার দুপুর কলকাতা প্রেসক্লাবে 'ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়ার্চ' এর পরিচালনায় 'গণতন্ত্রে মিডিয়ার ভূমিকা কি হওয়া উচিত' শীর্ষক আলোচনা চলে। এই আলোচনায় প্রাক্তন চিফ জাস্টিস, প্রাক্তন পুলিশ কর্তা, থেকে অধ্যাপক, মানবাধিকার কর্মী,   সমাজসেবী সহ বাংলা সংবাদমাধ্যমে একঝাঁক বর্ষীয়ান সাংবাদিক ছিলেন। ভারতীয় সংবিধানে গণতন্ত্রের পক্ষে বিপক্ষে যুক্তিতর্কের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে। এই আলোচনা সভায় সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা মুম্বাই হাইকোর্টের প্রাক্তন চিফ জাস্টিস চিত্ততোষ মুখোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত, অধ্যাপক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী, ইন্ডিয়ান এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক সত্যব্রত চৌধুরী, বর্ষীয়ান সাংবাদিক হিসাবে স্নেহাশিস সূর, রজত রায়, সুদীপ্ত সেনগুপ্ত প্রমুখ ছিলেন। আলোচনা সভার মূল উদ্যোক্তা তথা আয়োজক সংগঠনের 'স্ট্রেট কো অডিনেটর' উজ্বয়নী হালিম সভা সঞ্চালনায় সাংবাদিক স্নেহাশিস সূরের পাশাপাশি ছিলেন।

শনিবার দুপুরে কলকাতা প্রেসক্লাবে এই আলোচনা সভা শুরু হয় সুপ্রিম কোর্টের  প্রাক্তন বিচারপতি তথা মুম্বাই হাইকোর্টের চিফ জাস্টিস চিত্ততোষ মুখোপাধ্যায়ের উদ্বোধনী বক্তব্য পেশের মাধ্যমে। যিনি এই সংগঠনের অর্থাৎ 'ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়ার্চ' এর সভাপতি পদে আসীন। তিনি বলেন -" বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থী সম্পকে ঠিকঠাক অবগত করানোর দায়িত্ব মিডিয়ার। প্রার্থীর সম্পত্তির খতিয়ান, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত কিনা তা সঠিকভাবে প্রকাশ করতে হবে সাংবাদিকদের। তাহলে জনমানসে সেই প্রার্থী কতটা উপযুক্ত তা বোঝা যাবে । সেইসাথে ভোটাররা ইভিএম না ব্যালটে ভোট চাইছেন তার জনমত খতিয়ে দেখা উচিত মিডিয়ার "।  এরপর বর্ষীয়ান সাংবাদিক রজত রায় তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে বক্তব্য তুলে বলেন - " দেশে গণতন্ত্রে এক সংকটময় পরিস্থিতি চলছে। সেটা কেন্দ্র ও রাজ্যস্তরে। সংবিধানের অধিকার প্রাপ্ত স্বতন্ত্র সংস্থাগুলি আজ আজ্ঞাবহ রুপে ব্যবহার হচ্ছে"।  এই প্রসঙ্গে তিনি গত লোকসভা নির্বাচনে বারাণসি কেন্দ্রের পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদির উদাহরণ টেনেছেন। যেদিন ভোট চলছে সেদিন প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার নরেন্দ্র মোদী কেদারনাথের মন্দিরে ধ্যান করছেন!  যা নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী বেআইনী।বিরোধী দলের নেতাদের অবশ্য সর্তকীকরণ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তবে নরেন্দ্র মোদির বেলায় কোন কিছুই নয়। রজত বাবু লোকসভা ভোটের আগে 'নমো' টিভির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। লাইসেন্স বিহীন চ্যানেল কিভাবে ভোটের প্রচারে ব্যবহার হল। তা খতিয়ে কেন দেখলো না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন?  এই প্রশ্ন তুলবার পাশাপাশি সংসদে সাংসদদের খাবারে বিপুল ভর্তুকি নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তিনি। রান্নার গ্যাসে ভর্তুকির অর্থ না নেওয়ার জন্য আর্থিকভাবে স্বচ্ছলদের কাছে আবেদন করছেন প্রধানমন্ত্রী, অথচ কম পয়সায় সংসদে বহুমূল্যের খাবারদাবার খাচ্ছেন সাংসদরা।এই নিয়ে কটাক্ষ উঠে আসে এই আলোচনায়।  গনতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ বিচারবিভাগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেন সাংবাদিক রজত রায়। তিনি বলেন - জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাশ্মিরীদের বন্দিদশা শুরু হয়েছে। সেখানে এই ধারা বিলোপে আইনী অবস্থানের জন্য পিটিশন দাখিল হলেও বিচারপতিরা পিটিশন শোনা কেন জরুরি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। এই প্রসঙ্গে অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের  প্রাক্তন বিচারপতি চিত্ততোষ মুখোপাধ্যায় বিচারপতিদেরও ভুলভ্রান্তি হয় এর পক্ষে সওয়াল করেছেন।বেশিরভাগ মিডিয়া আজ দলদাসে পরিণত হয়েছে। এইরূপ মন্তব্য উঠে আসে বিভিন্ন বক্তাদের গলায়। জরুরি অবস্থা জারীর সময় হাতেগোনা কয়েকটি মিডিয়া ছাড়া বাকিরা মাথানত করেছিল বলে বিভিন্ন দাবি শোনা যায় এই আলোচনা সভায়। বিভিন্ন বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে পরিচিত সমালোচক তথা অধ্যাপক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী বলেন " নির্বাচনী গণতন্ত্র অপেক্ষা বৃহত্তর গণতন্ত্র প্রতিস্টা করা জরুরি। শাসকদল সর্বদা ভোট কে জিনিস কেনবার 'সামগ্রী' ভাবে। বিরোধী দল দুর্বল হলেও শাসক দলের বাড়বাড়ন্ত বেশি দেখা যায়। স্থানীয় সরকার অর্থাৎ পঞ্চায়েত / পুরভোটের আইন আগে সংস্কার জরুরি। তা নাহলে বৃহত্তর গণতন্ত্র প্রতিস্টা করা যাবেনা"। বামেদের রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পঞ্চায়েত ভোটের ৪২ নং ধারা এবং পুরভোটের ৩৬ নং ধারা কেন সংশোধন করছেনা বর্তমান সরকার তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন এই অধ্যাপক। মহারাষ্ট্র হরিয়ানার মত রাজ্যে পঞ্চায়েত / পুর ভোট আইন গণতন্ত্রের পক্ষে সুখকর।কোন নিদিষ্ট আইন না থাকার জন্য বিদেশিরা পার পেয়ে যান বলে অভিযোগ তুলেন তিনি। গত লোকসভা নির্বাচনে বাংলাদেশের অভিনেতা ফিরদৌসের প্রসঙ্গ টানেন। অল ইন্ডিয়া ইলেকশন সার্ভিস চালুর দাবিতে সরব হতে দেখা যায় তাঁকে। সাংবাদিক সুদীপ্ত সেনগুপ্ত বলেন - "কোন দল ভোটে হেরে গেলে তখন ইভিএম খারাপ আর ব্যালট ভালো হয়। অথচ তারাই ইভিএমে একসময় জিতে এসেছে! "  পুলিশের প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত বাংলার সংবাদমাধ্যম অত্যন্ত দুর্বল চরিত্রের বলে অভিযোগ তোলেন। এই আলোচনাসভায় জরুরি অবস্থা জারীর সময় গ্রেপ্তার হওয়া  সাংবাদিক কমল ভট্টাচার্য কে কেন আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন কেউ কেউ।এই আলোচনা সভার উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে উজ্বয়নী হালিম বলেন - " আমরা প্রতিটি নির্বাচনেই অবাধ ও নিরপেক্ষ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে আসছি, আমাদের এই সার্বিক জনহিতকর লড়াইতে সংবাদমাধ্যম কে বন্ধুর মত পেতে চাই "।                                                                                                                                                                                                                                                                                                 

সোমবার, আগস্ট ১৯, ২০১৯

কাটমানিতে কেনা মঙ্গলকোটের বিপুল সম্পত্তির ইডি তদন্ত দাবি

মঙ্গলকোটের নুতনহাটে এক জমি দালালের মাধ্যমে  কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি কিনে রেখেছেন শাসকদলের বেশকিছু নেতা। মঙ্গলকোটের বক্সিনগর, পদিমপুর বাইপাস, নুতনহাট, বড়বাজার প্রভৃতি এলাকায় রাস্তার ধারে ও মাঠে জমি জায়গা এমনকি কবরস্থান পরিচিত জায়গা পর্যন্ত কেনা হয়েছে বলে বিশস্ত সুত্রে প্রকাশ।  বীরভূম লাগোয়া নানুরের বাসাপাড়ায়, সিউড়ি সংলগ্ন পাথরচাপড়ী এমনকি কলকাতার নিউটাউন - রাজারহাটে ফ্লাট/ জায়গা কেনা হয়েছে বলে বিশেষ সুত্রে প্রকাশ । ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল অবধি মঙ্গলকোটের নুতনহাট সাব রেজেস্ট্রি অফিস, কাটোয়া মহকুমা সাব রেজেস্ট্রি অফিস, বর্ধমান সদর রেজেস্ট্রি অফিস, সিউড়ি সদর রেজেস্ট্রি অফিসগুলিতে সার্চিং করলে এর প্রমাণ মিলবে বলে জানা গেছে৷ সেইসাথে এইসব এলাকায় সরকারী /বেসরকারী ব্যাংকগুলিতে বিগত কয়েক বছরের আর্থিক লেনদেনের তথ্য নিলে বিপুল বে আইনি অর্থ যোগানের সুত্র মিলতে পারে,কৃষি ঋণের নামে ব্যাংক থেকে প্রচুর অর্থ তোলা হয়েছে । ওই জমি দালালের হাত ধরে সদর মঙ্গলকোট সহ অন্যান্য এলাকার শাসকদলের নেতারা বিপুল সম্পত্তি বেনামে কিনে রেখেছেন বলে অভিযোগ। এইবিধ নেতারা আবার ঝা ঝকঝকে চারচাকা গাড়ী ব্যবহার করেন,কুড়ি পঁচিশ টা মোটরসাইকেল সাথে থাকে আবার । অপরদিকে রাজ্য বিজেপি নেতা চন্দ্রনাথ মুখার্জীর অভিযোগ - "মঙ্গলকোটে যারা প্রধান /উপপ্রধান পদে রয়েছে তাদের আগে বাড়ী গাড়ী বিষয় সম্পত্তি কি ছিল?  আর এখন কি হয়েছে তা খোঁজখবর নিলেই বোঝা যাবে এরা কত কামিয়েছে দল কে সামনে রেখে"। মঙ্গলকোটে ওসি পদে একদা থাকা এক প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন - "টানা আট বছর মঙ্গলকোটে যে কয়েকজন ব্লক কমিটি এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের সম্পত্তি গুলির সুত্র দিতে পারে মঙ্গলকোটের নুতনহাটে থাকা ওই জমির দালাল। যার নামে / বেনামে বিভিন্ন সম্পত্তি কেনা হয়েছে। ব্যাংক সহ রেজেস্ট্রি অফিস এমনকি ভূমি সংস্কার দপ্তরে সুনিদিস্ট তথ্য প্রমাণ মিলতে পারে"।  এই বিষয়ে অনেকেই ইডি তদন্ত  দাবি  করেছেন । শাসক দলের  মদতপুস্ট নেতাদের আর্থিক  কেলেংকারী উদঘাটনে  ইডি তদন্তই সেরা বলে অনেকে  মনে করছেন

OLD POSTED

আরামবাগ টিভির তিন সাংবাদিক গ্রেপ্তারের বিস্তারিত রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

মোল্লা জসিমউদ্দিন   সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সেখ সফিকূল ইসলাম প্রত্যেকেই নির্ভীক সাংবাদিকতা করতে গিয়ে পুলিশের অতি সক্রিয়তার শি...

KATWA SUB-DIVISONAL PRESS CORNER